প্রচলিত উচ্চশিক্ষার সংস্কার নিয়ে ভাবতে হবে

আমরা ছোটবেলায় শুনতাম, ইংরেজি বা গণিতটা ঠিকমতো করো, নইলে চাকরি পাবে না! কিংবা ক্লাসের ভালো ছাত্র হলে তাদেরই কেবল বিজ্ঞানে পড়ার অদ্ভুত রেওয়াজ আমাদের দেশে অনেক দিন ধরেই প্রচলিত। তারপর দেখা গেল, বিজ্ঞান বিভাগের ছেলেটি বিশ্ববিদ্যালয়ে হয়তো কেমেস্ট্রি নিয়ে পড়লো। স্নাতকোত্তরের পর সে চাকরি নিল ব্যাংকে। ব্যাংকিং খাতের কর্মী হিসেবে টাকা পয়সার হিসাব রেখে জীবন পার করে দিল। তাহলে কেমেস্ট্রি পড়ে তার কী লাভ হল, আর দেশের কী লোকসান হল? এই চক্র বাংলাদেশে দীর্ঘ সময় ধরে চলছে। এর অবসানে দেশে কোন খাতে কত লোক দরকার তার একটা কাছাকাছি হিসাব করে সেভাবেই শিক্ষা ব্যবস্থাপনার সবকিছু সাজানো উচিত। এটা জানা কথা, কাজের সাথে উচ্চশিক্ষা পর্যায়ে পঠিত বিষয়ের পুরোপুরি সামঞ্জস্য বাস্তবায়ন সম্ভব নয়। কিন্তু যে খাতে দশ জন লোক দরকার, সেই বিষয়ে লাখ লাখ ছেলেমেয়ে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করছে, করতে বাধ্য হচ্ছে। আবার, যে খাতে হাজার সুযোগ, সেই খাতে উচ্চশিক্ষা নিচ্ছে কয়েক শ শিক্ষার্থী। এভাবেই দক্ষ জনশক্তির অভাব একদিকে, অন্যদিকে বাড়ছে বেকারত্ব।

প্রাথমিক থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পর্যন্ত সৃজনশীল প্রশ্নপদ্ধতি চালুর এগারো বছরের মাথায় এসে আমাদের মনে হচ্ছে, পদ্ধতিটি কার্যকর নয়। আবার নতুন শিক্ষাক্রমের রূপরেখা করা হয়েছে। আসল বিষয় হচ্ছে বিষয়বস্তু জানা, সেই জ্ঞান কাজে লাগিয়ে দক্ষতা অর্জন করা। এক্ষেত্রে প্রচলিত সৃজনশীল প্রশ্নপদ্ধতি অনুযায়ী প্রশ্নের চারটি অংশ দিয়ে জ্ঞান, অনুধাবন, প্রয়োগ ও উচ্চতর দক্ষতা যাচাই করা খুব জরুরি নয় বলেই মনে হয়। গত কয়েক বছরে এটি একটি ফরম্যাটে দাঁড়িয়ে গেছে। এটি আর সৃজনশীল হল কই?  

প্রস্তাবিত নতুন শিক্ষাক্রম অনুমোদন দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। বাস্তবায়ন হবে ধাপে ধাপে। এবার শিক্ষাব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তন আনা হয়েছে নতুন শিক্ষাক্রমে। প্রস্তাবিত শিক্ষাক্রম বাস্তবায়ন হোক, এটাই প্রত্যাশা। পাবলিক পরীক্ষা কমানো হয়েছে, সাপ্তাহিক ছুটি বাড়ানো হয়েছে, পরীক্ষার চেয়ে ক্লাসে মূল্যায়নকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে এসবই ভালো দিক। তবে নতুন শিক্ষাক্রম অনুযায়ী শিক্ষার্থীরা বিজ্ঞান, মানবিক নাকি বিজনেস স্টাডিজ নিয়ে পড়বে তা ঠিক হবে উচ্চমাধ্যমিকে গিয়ে, এটি নতুন নয়। ১৯৬২ সালের আগে এমন ছিল। এখন তা আবার আগের জায়গায় ফিরে যাচ্ছে। এ প্রস্তাবটিও উত্তম কারণ মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষার্থীরা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই বিভাগ নির্বাচন নিজের ইচ্ছেয় নেয় না, দেখা যায় পরিবার কিংবা স্কুলের সিস্টেমে পড়ে এরা সঠিক সিদ্ধান্ত তখন নিতে পারে না। ফলে উচ্চ মাধ্যমিকে গিয়েই বিভাগ পরিবর্তন করে অনেকে। তাই বলা যায়, মাধ্যমিকে বিভাগ নির্বাচন খুব একটা কার্যকর নয়। তবে উচ্চশিক্ষার বিভিন্ন বিষয় পড়ে সেটির কোনো প্রয়োগ কর্মক্ষেত্রে থাকে না কিছু কিছু খাত ছাড়া। আমাদের দেশে একটা মেধাবী তরুণকে আমরা কীভাবে তৈরি করছি, কোন খাতের জন্য, আগামী শিল্পবিপ্লবে এই শিক্ষা নিয়ে আমরা প্রতিযোগিতায় যেতে পারবো কিনা এসব আমাদের কর্তাদের ভাবনায় সম্ভবত নেই। বিভিন্ন সময়ে নানা বিষয় খুলে ছেলেমেয়েদের এমএ পাশ করিয়ে চলছে দেশ? ছেলেমেয়েদের কিন্তু দোষ নেই। আমাদের বাবা-মা তথা অভিভাবকরা চা খেতে খেতে এখনো প্রাইভেট নাকি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ভালো সেই তর্ক করছেন! আর উচ্চশিক্ষার বিষয়ের পরিকল্পনা আমাদের দেশে যে একেবারেই নেই, তা আপনি শুধু জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কলেজগুলোতে বিভিন্ন বিষয় খুলে স্নাতকোত্তর হওয়ার পরিসংখ্যান দেখলেই টের পাবেন!

এই মুহুর্তে এদেশে স্নাতক পর্যায়ে পড়ছেন মোটামুটি ৩৫ লাখ ছেলেমেয়ে। তারা উচ্চশিক্ষা নিচ্ছেন। তারপর? সেই উচ্চশিক্ষা কীভাবে কাজে লাগাবে দেশ; কোন খাতে, ছেলেমেয়েরা দক্ষ হচ্ছে কীসে? এসব ভাবনায় নেই। সবাই ঝুঁকছে সরকারি চাকরিতে। হ্যাঁ, সরকারি সেবা মানুষের কাছে পৌছানোর কাজের সুযোগ পেলে আপনার বিশেষ দক্ষতার দরকার হবে না এটা ঠিক। কিন্তু দেশের অর্থনীতির ৮২% যেখানে বেসরকারি খাতের ওপর নির্ভরশীল, সেখানে শুধু সরকারি খাতের চিন্তা করলে তো হবে না। সরকার আপনাকে বেতন দেবে, সেই টাকা আসবে কোথা থেকে? সবচেয়ে বড় কথা, ৫০ বছরেও আগে যা হয়নি, তা মাত্র ৪ বছরে করেছে ইন্টারনেট। সেই দিন খুব বেশি দূরে নয়, যখন আপনি এমএ না এমবিএ তা নয়; জিজ্ঞেস করা হবে আপনি কী পারেন? সুইডেন ও ডেনমার্ক কাগুজে নোটের ব্যাংক বন্ধ করার ঘোষণা দিয়েছে। আপনি না চাইলেও, চতুর্থ শিল্পবিপ্লব কিন্তু কড়া নাড়ছে। আমাদের যে শিক্ষা, সেই শিক্ষা লাখ লাখ কম প্রয়োজনীয় বিষয়ে স্নাতকোত্তর জন্ম দিচ্ছে। এই শিক্ষা কি আসন্ন শিল্পবিপ্লব মোকাবিলার জন্য উপযুক্ত?

‘দ্য ফোর্থ ইন্ডাস্ট্রিয়াল রেভল্যুশন’ নামে একটা বই আছে। বইটি লিখেছেন বিশ্ব অর্থনীতি ফোরামের প্রতিষ্ঠাতা শোয়াব। আমাদের এই পৃথিবী একসময় আদিম সাম্যবাদী সমাজ ছিল। লাঙ্গল আবিষ্কার হলো, কৃষির প্রচলন ঘটল, সেখান থেকে এলো সামন্ততন্ত্র পৃথিবীকে চমক লাগানো জেমস ওয়াটের স্টিম ইঞ্জিন। লেখকের মতে, এসব প্রথম শিল্পবিপ্লব। তারপর বিদ্যুৎ, রেডিও, টেলিভিশন এসব দ্বিতীয় শিল্পবিপ্লব। তারপর ডিজিটাল যুগ ও ইন্টারনেট। এটা তৃতীয় শিল্পবিপ্লব। আবার বর্তমান সময়ের ফেসবুক, টুইটার অনেকে চতুর্থ শিল্পবিপ্লব ধরলেও অর্থনীতিবিদরা এসবকে তৃতীয় শিল্পবিপ্লবের সংস্কার বলে অভিহিত করছেন। মজার ব্যাপার হলো, কস শোয়াব তার বইয়ে ২০২৫ সালের মধ্যে পৃথিবীতে কী কী নতুন বাস্তবতা দেখা দেবে সেসবের একটি তালিকা দিয়েছেন। তার মধ্যে কিছু হলো ২০২৫ সালের মধ্যে শরীরে মোবাইল ফোন বসানো হবে। বর্তমানের প্রেসমেকারের মতোই অনেকটা। তাতে আমাদের স্বাস্থ্য ভালো থাকবে কিন্তু ক্ষতি হবে ব্যক্তিগত গোপনীয়তা, প্রায় ৮০ শতাংশ মানুষের একাধিক ডিজিটাল ঠিকানা থাকবে, তাতে মানুষের মত প্রকাশের স্বাধীনতা বাড়বে। তেমনি বাড়বে এ সংক্রান্ত অপরাধ, থাকবে চশমার সাথে ইন্টারনেট যুক্ত, পোশাকের সাথে ইন্টারনেট যুক্ত, ‘ইন্টারনেট অব থিংস।’ ইন্টারনেট অব থিংস’ সব জিনিসই ইন্টারনেট যুক্ত থাকবে। সব ইন্টারনেটে যুক্ত থাকবে যেমন- চালকবিহীন গাড়ি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্ত্বা, বিটকয়েন ব্লকচেইন। বিকল্প টাকা। ত্রিমাত্রিক প্রিন্টারের মাধ্যমে মানুষের চিকিৎসা হবে। থ্রি-ডি প্রিন্টারের থেকে নেয়া যকৃত মানুষের শরীরে বসানো হবে। প্রথম মানব শিশু জন্ম নিবে, যার জিনোম কৃত্রিমভাবে উন্নতর করা হয়েছে। তার মানে বোঝা যাচ্ছে আগামী সাত বছরের মধ্যে পৃথিবীর হাজারও না ঘটা সব বিষয় ঘটতে যাচ্ছে। যার মধ্যে অনেকগুলো বিষয় এখনই চলে এসেছে। আর এগুলো পরিবর্তন হলে আমাদের কি হবে? ক্যাশিয়ার থাকবে না, থাকবে না এখনকার ব্যাংক ব্যবস্থা, থাকবে না আরও অনেক কিছু যা  আমরা এখন বুঝতেছি না। আমরা শিখে চলেছি, কী শিখছি এবং কেনো সেই প্রশ্ন কেউ করছি না!

শোয়াব চতুর্থ শিল্পবিপ্লব নিয়ে নিজের লেখা একটি প্রবন্ধে বলেছেন, ‘আমরা চাই বা না চাই, এত দিন পর্যন্ত আমাদের জীবনধারা, কাজকর্ম এবং চিন্তা-চেতনা যেভাবে চলেছে, তা বদলে যেতে শুরু করেছে। এখন আমরা এক প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছি’। বিশ্বব্যাংকের ‘ডিজিটাল ডিভিডেন্ডস’ শীর্ষক এক প্রতিবেদনেও ডিজিটাল বিপ্লব সম্পর্কে নানা বিষয় উঠে এসেছে। এতে বলা হয়েছে, ইন্টারনেটের মাধ্যমে এখন একদিনে বিশ্বে ২০ হাজার ৭০০ কোটি ই-মেইল পাঠানো হয় এবং গুগলে ৪২০ কোটি বার বিভিন্ন বিষয় খোঁজা হয়। একযুগ আগেও তথ্যপ্রযুক্তির ক্ষেত্রে এ পরিবর্তনগুলো ছিল অকল্পনীয়।

আপনি আশেপাশে তাকালেই টের পাবেন, ডিজিটালাইজেশন এরই মধ্যে সর্বক্ষেত্রে বিশাল পরিবর্তন নিয়ে এসেছে। আগামী ১০ বছরে ডিজিটাল বিপ্লবের ফলে এমন সব পরিবর্তনের মুখোমুখি হতে হবে, যা এর আগে কখনো সম্ভব হয়নি। বিশ্বের মানুষের জীবনমান উন্নয়নে কী প্রভাব ফেলবে তা নিয়ে দুই ধরনের মত পাওয়া যাচ্ছে। একদল বিশেষজ্ঞ বলছেন, এতে সব মানুষেরই আয়ের পরিমাণ ও জীবনমান বাড়বে। বিশ্বের পণ্য সরবরাহ প্রক্রিয়ায়ও ডিজিটাল প্রযুক্তি আনবে ব্যাপক পরিবর্তন। এক দেশ থেকে আরেক দেশে পণ্য পাঠানোর খরচ অনেক কমে আসবে এবং ইতিবাচক প্রভাব পড়বে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে। আবার অন্য একদল অর্থনীতিবিদ ও বিশেষজ্ঞ মনে করেন, ডিজিটাল বিপ্লব বিশ্বের অসাম্য ও দারিদ্র্য পরিস্থিতিকে আরো দুর্বিষহ পর্যায়ে নিয়ে যাবে। ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধির ফলে মানুষের অনেক কাজ রোবট ও যন্ত্রপাতি দিয়ে করা হবে। ফলে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে তা সমস্যা তৈরি করবে। এছাড়া শ্রমবাজারে অল্প কর্মদক্ষ শ্রমিকদের চাহিদা ও বাজার কমে যাবে যা উন্নয়নশীল দেশগুলোকে সমস্যায় ফেলবে।

আমাদের বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের বড় উৎস প্রবাসী শ্রমিকদের আয়। আজ আমরা লাখ লাখ টাকা খরচ করে বিদেশে যাচ্ছি গ্যারেজ কিংবা কলকারখানায় কাজ করতে, তখন ওই কাজ তো যন্ত্র করবে। অটোমেশন সর্বত্র হবে। নির্মাণ খাতেও হবে। আমাদের এই মানুষগুলো কাজ হারাবে। তাহলে বোঝা যাচ্ছে ২০২৫ সালের মধ্যেই বাংলাদেশে বেকারত্ব আরও বাড়বে, সাথে আসবে একটি বিপর্যয়। যদি না আমরা এ বিষয় মাথায় রেখে অগ্রসর হই। তাহলে আমরা কী করব? আমাদের বিজ্ঞাননির্ভর আগামী বাজারের উপযোগী শিক্ষা দিতে হবে। চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের ঝড়কে মোকাবিলা করতে হলে আমাদেরকে বিজ্ঞানের আধুনিক যুগোপযোগী শিক্ষা গ্রহণ করতে হবে এবং নির্ভর হতে হবে ইন্টারনেটভিত্তিক কাজে, তথ্য প্রযুক্তি খাতে দক্ষ মানব সম্পদ গড়তে হবে এবং অবশ্যই আগামী এক দশক পর কোন খাতে কী পরিমাণ দক্ষ লোক লাগবে সেই হিসেব করে শিক্ষা ব্যবস্থা ঢেলে সাজাতে হবে। এইসব প্রচলিত ধারণা, ভুল সামাজিক বার্তা এবং পুরোনোকে আঁকড়ে ধরে থাকার সর্বনাশা বিষয় আমাদের পাশ কাটিয়ে যেতে হবে। নইলে ডিজিটাল বিপ্লবের পুরোধা জুড়ে থাকা কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা এবং তথ্য-প্রযুক্তির সকল অনুষঙ্গ আমাদের বোকা ও অপ্রয়োজনীয় করে তুলবে।

আপনি নিশ্চয়ই বুঝে গেছেন, চতুর্থ শিল্পবিপ্লব বলতে যেটি বোঝানো হচ্ছে তা হলো সমাজ এবং অর্থনীতির বিভিন্ন অনুষঙ্গের নিরবচ্ছিন্ন প্রযুক্তিগত রূপান্তর। প্রতিটি ক্ষেত্রে রোবটিক্স বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার কীভাবে মানুষের কল্যাণে আসতে পারে। প্রযুক্তি এবং বিজ্ঞানের অন্যান্য শাখা-প্রশাখা কীভাবে মানবজীবনকে বদলে দিতে পারে ও কীভাবে বৈপ্লবিক পরিবর্তন হতে পারে এ সব কিছুই চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত। বিশ্বের ইন্টারনেট আলোড়নের ছোঁয়া আমাদের দেশেও লাগছে। বাংলাদেশ যদি এখন থেকেই যথাযথ পরিকল্পনা নিতে না পারে তবে ভবিষ্যতের জন্যে অনেক সমস্যা হবে। ভবিষ্যতে বেকারত্ব বৃদ্ধি পাবে কিনা, প্রযুক্তি উন্নতির সাথে সাথে চাকরির বাজারে কোনো সমস্যা হবে কিনা এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভবিষ্যত কী এসব নিয়ে ভাবতে হবে। আর আমাদের উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থা সামনের এ বিপ্লব মোকাবিলা করতে পারবে কিনা, তা ভেবে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ এখনই নিতে হবে।

প্রকাশিত পত্রিকা- দৈনিক সমকাল, ৮ অক্টোবর, ২০২১

প্রচলিত উচ্চশিক্ষার সংস্কার নিয়ে ভাবতে হবে

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to top