নিমতলী থেকে চকবাজার : আমাদের বোধোদয় কবে হবে?

হাসান হামিদ

সেদিন বাসায় ছিলাম। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার হওয়া একটি খবরে চোখ আটকে গেলো। না, আগুন লাগা বা পোড়ে মারা যাওয়ার খবর আমাদের দেশে নতুন নয়। এদেশে প্রায় প্রতিদিনই ঘটছে এমন ঘটনা। আমাদের আর মনেই হয় না, একটি মানুষের মৃত্যু মানে শুধু তার চলে যাওয়া নয়; পাশাপাশি একটি পরিবারের সারা জীবনের হাহাকার রচনা হওয়া। অথচ স্বাধীনতার পর বাংলাদেশে পাটের গুদাম পুড়েছিল বলে বঙ্গবন্ধু নিজে দৌলতপুরে গিয়ে পোড়া পাট ধরে কেঁদেছিলেন। কিন্তু এখন এতো যে মানুষ মারা যায়, কে রাখে তাদের খবর?

বিভিন্ন পত্রিকার খবরে জানতে পেরেছি, ঢাকার চকবাজারের চুড়িহাট্টায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে মারা গেছেন ৭৮ জন মানুষ। সর্বশেষ পাওয়া তথ্য মতে, এ আগুনের সূত্রপাত হাজী ওয়াহেদ ম্যানশনের দোতলার কেমিক্যাল বিস্ফোরণ থেকে। আগুনের তীব্রতার কারণে গাড়ির  সিলিন্ডারগুলো কয়েক মিনিট পর বিস্ফোরিত হয়। গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের গঠিত তদন্ত কমিটির এক সদস্য। তিনি বলেন, দোতলায় হাইলি ফ্লেমেবল (অত্যন্ত অগ্নিদাহ্য) পদার্থ ছিল। সেখানকার বিস্ফোরণেই আগুনের সূত্রপাত। মুহূর্তেই আগুন ৩-৪টি বাড়িতে ছড়িয়ে পড়ে। এরপর গাড়িগুলোর সিলিন্ডারের বিস্ফোরণ ঘটে। এর আগে ওই ঘটনায় গঠিত কয়েকটি তদন্ত কমিটি বলেছে, দুটি গাড়ির সংঘর্ষের ফলে একটি গাড়ির সিলিন্ডারের বিস্ফোরণে আগুনের সূত্রপাত। খোদ ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র সাইদ খোকনও বলেছেন, আগুনের সূত্রপাত গাড়ির সিলিন্ডার থেকে।

খুব খারাপ লাগে যখন দেখি, গণমাধ্যম থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এখনও চলমান বিতর্ক আগুনের সুত্রপাত নিয়ে! এই ভয়াবহতার কারণ গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ, নাকি রাসায়নিক গুদামে দাহ্য বস্তুর মজুদ এ নিয়ে চলছে তর্কাতর্কি। মন্ত্রী থেকে সাবেক মন্ত্রী একেকজন একেক রকম কথা বলছেন। এক সাবেক শিল্পমন্ত্রী দুষছেন আরেক শিল্পমন্ত্রীকে। কিন্তু তাতে কী আর স্বজন হারানো, সব হারানো মানুষগুলো ফিরে পাবেন কিছু?

প্রকাশিত সংবাদের তথ্য মতে, চকবাজারের চুড়িহাট্টা চৌরাস্তায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে কয়লা হওয়া ওয়াহেদ ম্যানশন ভবনের দ্বিতীয় তলায় প্রায় তিন কোটি টাকার পারফিউম গ্যাস ছিল। দেশের বাহিরে থেকে আমদানি করে আনা পারফিউম গ্যাস এখানে বিভিন্ন মাপের বোতল, ক্যানে রিফিল করা হতো। অগ্নিকাণ্ডের মাত্র দুদিন আগেই আনা হয়েছিল ওই বিপুল পরিমাণের পারফিউম গ্যাস। তবে যে বিকট বিস্ফোরণ থেকে ওই ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের শুরু তা ঠিক কোথা থেকে হয়েছে সে বিষয়ে তারা এখন প্রায় সকলেই সন্দিহান। সূত্রপাতের বিষয়ে সুনির্দিষ্টভাবে কিছু বলতে না পারলেও অনেকের দাবি, আগুনের লেলিহান শিখা ছড়িয়ে পড়েছিল মূলত ভবনের দ্বিতীয় তলা থেকেই।

কয়েক দিন ধরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক খুললেই শুধু ধ্বংসস্তুপের ছবি আর স্বজনহারা মানুষের আহাজারি। খবরে দেখলাম, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সারারাত ঘুমাতে পারেননি। পাশাপাশি বিনিদ্র রাত্রি যাপন করেছেন অনেকেই। ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ ও সংবাদকর্মীদের পরিশ্রম ও ব্যস্ততা উল্লেখ করার মতো। আমাদের প্রিয় প্রধানমন্ত্রী ইতোমধ্যে ক্ষতিপূরণের আশ্বাস দিয়েছেন। কিছুদিন পর তিনি হয়তো কয়েকজন কিংবা কয়েকটি পরিবারের দায়িত্বও নেবেন। কিন্তু যে যমজ সহোদর আর কোনোদিন বাবা বলে ডাকতে পারবে না, যে মা কোনোদিন আর তার সন্তানকে বুকে জড়িয়ে ধরতে পারবেন না, যে ভাই আর কোনোদিন তার ভাইকে পাবেন না, যে পিতা কোনোদিন সন্তানের সফলতায় অহংকার করতে পারবেন না,  যে স্ত্রী আর ফিরে পাবেন না তার স্বামীকে; তার কিংবা তাদের সেই ক্ষতি কি কোনোদিন পূরণ করা সম্ভব? সম্ভব নয়। তবে এই ধরনের ঘটনার যাতে পুনরাবৃত্তি না ঘটে সেই ব্যবস্থা করা কিন্তু সম্ভব। আমরা একটু সচেতন হলেই এই ধরনের দুর্ঘটনা এড়িয়ে চলতে পারি। আমাদের সেই বোধের উদয় কবে হবে?

আমরা কি ভুলে গেছি, কয়েক বছর আগের নিমতলির সেই ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের কথা? হ্যাঁ, ভুলে গেছি! আমরা কি সেখান থেকে শিক্ষা নিয়েছি? না, নেইনি। আমরা এমনই সব খুব দ্রুত ভুলে যাই। আমরা এই ঘটনাও ভুলে যাবো, যেমন আমরা প্রতিটি সড়ক দুর্ঘটনার পর কিছুদিন খুব সোচ্চার হই এবং তা ভুলেও যাই; যেমন নিরাপদ সড়কের দাবির কথা আমরা এখন প্রায় ভুলে গিয়েছি।

নিমতলি অগ্নিকাণ্ড সংঘটিত হয় বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা শহরে ২০১০ সালের ৩ জুন। পুরান ঢাকার নবাব কাটরার নিমতলি নামীয় মহল্লায় একটি বড়সড় অগ্নিকাণ্ড সংঘটিত হয় যা নিম্নতলি অগ্নিকাণ্ড (কখনও নিমতলি ট্র্যাজেডি) নামে অভিহিত। এই অগ্নিকাণ্ডে নিশ্চিতভাবে ১১৭ জন মানুষ নিহত হন। পরে ৬ জুন এক শিশু এবং ৭ জুন এক মহিলা মারা গেলে মৃতের সংখ্যা দাঁড়ায় ১১৯।

বাংলাদেশ সরকার এই ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহতের স্মরণে ৫ জুন, ২০১০ তারিখে রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করে। ভবনসংলগ্ন একটি বৈদ্যুতিক ট্রান্সফর্মার বিস্ফোরিত হলে সেখান থেকে আশেপাশের ভবনগুলোতে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়ার কারণ হিসেবে বাংলাদেশের অগ্নিনির্বাপক সংস্থা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের মত: আশেপাশের দোকানগুলোতে থাকা রাসায়নিক দ্রব্যাদি ও দাহ্য পদার্থের সংস্পর্শে আগুন আরো দ্রুত বিস্তৃত হয়। এছাড়া আক্রান্ত এলাকাটি ঘনবসতিপূর্ণ হওয়ায় অগ্নিনির্বাপক কর্মীদের সে এলাকায় যেতে ও কাজ করতে বাধার সম্মুখীন হতে হয়, যা দ্রুত অগ্নিনির্বাপন বাধাগ্রস্থ করে। এছাড়া পুরান ঢাকা এলাকার সংকীর্ণ রাস্তা দিয়ে তাদের বিভিন্ন যন্ত্রপাতি ও অগ্নিনির্বাপক গাড়ি প্রবেশ করাতেও যথেষ্ট বেগ পেতে হয়।

ঠিক এই ব্যাপারগুলো কিন্তু চকবাজার ট্রাজেডির সাথে মিলে গেছে। আমরা জানি, চকবাজারের রাস্তাগুলো অতি সংকীর্ণ। পাশাপাশি দুটো রিকশা চলতে গেলেই অনেক সময় ট্রাফিক জ্যাম বেঁধে যায়। বিল্ডিংয়ের দেয়াল ঘেঁষে দাঁড়িয়ে আছে আরেকটি বিল্ডিং। বেশিরভাগ ভবনই পুরনো। আর অনেক ভবনেই আছে কেমিক্যালের মজুদ। মাঝে মাঝেই টিভির ক্রাইম রিপোর্টে দেখা যায়, চকবাজারের আবাসিক ভবনে তৈরি হচ্ছে প্রসাধনী এবং ভোজ্য পণ্য- যেগুলো বিদেশি কোম্পানির মোড়কে বাজারে বিক্রি হচ্ছে। এসব পণ্যের তালিকা থেকে বাদ যায়নি নিষ্পাপ শিশুদের পছন্দের চকলেটও। কিন্তু এসব সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দেখার সময় হয় না। যখন কোনো ঘটনা ঘটে, তার তদন্ত কমিটি হয়; দুই এক জন কিছু টাকা সহায়তা পায়, তারপর সবাই সব ভুলে যাই। মনে থাকে না, দীর্ঘমেয়াদে আমাদের নিরাপদ জীবনের জন্য কী কী করা উচিত এবং আমরা তার কতটুকু করছি!

কিছুদিন আগে গাজীপুরের টঙ্গীর বিসিক শিল্পনগরী এলাকায় ন্যাশনাল ফ্যান কারখানায়(০২ অক্টোবর, ২০১৮) দুপুরে বিস্ফোরণে আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছিল। এতে ঘটনাস্থলেই দুইজন নিহত ও কমপক্ষে ২০ জন আহত হয়েছিলেন। তখন জানা যায়, কারখানার শ্রমিকেরা কাজ করছিলেন। এমন সময় ভেতরে হিট চেম্বারে বিস্ফোরণ ঘটে আগুন ধরে যায়। আর এতে ঘটনাস্থলেই দগ্ধ হয়ে দুই শ্রমিক নিহত হন। হতাশার কথা হলো,  গাজীপুরের এ ঘটনার মতো এরকম শত শত ঘটনা প্রতিনিয়ত ঘটছে। এসব ঘটনার পর প্রতিবারই তদন্ত কমিটি গঠিত হয়। এরপর প্রতিবেদন দেয় সেই কমিটি; তারপর সব থেমে যায়। কোনরূপ প্রতিক্রিয়া ছাড়াই অর্থাৎ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা ছাড়া সবাই পার পেয়ে যায়। অতীতের সকল রেকর্ড কিন্তু এ কথাই প্রমাণ করে। কিন্তু এভাবে আর কতদিন চলবে?

বিভিন্ন পরিসংখ্যান বলছে, গত এক বছরে সারা দেশে আঠারো হাজারেরও বেশি অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটেছে এবং এতে  অর্ধ শতেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। আর এসব অগ্নিকাণ্ডে দেশের ক্ষতি হয়েছে ৪৩০ কোটি টাকার মতো, যা উদ্বেগজনক। পত্রিকা পড়ে জানলাম, এসবের বেশির ভাগই ঘটেছে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট, চুলার আগুন, ছুঁড়ে দেওয়া জ্বলন্ত সিগারেট ইত্যাদি থেকে। আর কলকারখানায় অগ্নিকান্ড ঘটেছে এক হাজারের মতো, আর দোকান-পাটে প্রায় দুই হাজার। পত্রিকায় প্রকাশিত তথ্যানুযায়ী, বাংলাদেশে গার্মেন্টস ব্যবসা শুরু হওয়ার পর গত দুই দশকে ৭০০ গার্মেন্টস শ্রমিক অগ্নিদগ্ধ হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন। আমাদের মনে আছে, ছয় বছর আগে তাজরীন ফ্যাশনে লাগা আগুনে ১১১ জন শ্রমিকের পুড়ে মারা যান। গুরুতর অগ্নিদগ্ধ হন আরও অনেক শ্রমিক। বাঁচার আশায় ওপর থেকে লাফিয়ে পড়ে পঙ্গু হয়ে যান কেউ কেউ। এরপর কারখানায় নিরাপদ কর্ম-পরিবেশ এবং নিরাপত্তা নিয়ে দেশে-বিদেশে বিস্তর কথা-বার্তা হলেও, থেমে নেই কারখানা দুর্ঘটনার খবর।

আমাদের দেশে বহুবার অগ্নিকান্ড সংঘটিত হয়েছে। এসব ঘটনায় সবারই সতর্ক হওয়া উচিত ছিল। এতবড় বড় প্রতিষ্ঠানে যেখানে হাজার হাজার কর্মী কর্মরত, সেখানে কেন পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে না? কেন থাকে না জরুরি বহির্গমন ব্যবস্থা? কোনো আইন নেই? আর কেমিক্যালের মজুদ কেনো আবাসিক ভবনে থাকবে? এখন আরও যেসব বাসায় এসব মৃত্যুকূপ আছে, তার কতটুকুইবা সরানো হবে!

ঢাকাসহ দেশের নানা জায়গায় কারখানা স্থাপনের  অনুপযুক্ত বহুতল ভবনের বিভিন্ন তলায় গড়ে উঠেছে গার্মেন্টস, শিল্প-কারখানা, মার্কেট, কাঁচা-বাজার। এসব কারখানায় ছোট ছোট কক্ষে বসানো হয় ভারি যন্ত্রপাতি। আর অনেক কারখানায় আলাদা গুদাম না থাকায় ভবনের মধ্যেই বিভিন্ন তলায় মালামাল স্তূপ করে রাখা হয়। আএ এসবের মধ্যে ঠাসাঠাসি করে দিনরাত কাজ  করে শিল্পশ্রমিকরা। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সেখানে থাকে না শ্রমিকদের ওঠানামার জন্য প্রশস্ত  সিঁড়ি ও জরুরি বহির্গমনের আলাদা কোনো পথ। এমনকি অনেক গার্মেন্টস বা শিল্প-কারখানায় অগ্নিনির্বাপণের ব্যবস্থা থাকে না। আবার থাকলেও প্রয়োজনের সময়  কারখানা শ্রমিকদের অজ্ঞতা এবং প্রশিক্ষণের অভাবে তা ব্যবহৃত হয় না। এদেশে বেশিরভাগ অগ্নিকাণ্ডের কারণ হিসেবে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিটকে দায়ী করা হয়ে থাকে। আসলে এদেশে ব্যবহৃত বৈদ্যুতিক তার, ফিটিংস, ফিউজ, সার্কিট ব্রেকার সঠিক মানসম্পন্ন নয়। নিয়মিত মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণের ব্যাপারেও রয়েছে শৈথিল্য। এসব কারণে দিন দিন বাড়ছে অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকি।

মানুষের মৃত্যুর পাশাপাশি এসব অগ্নিকাণ্ডে অর্থনৈতিক ক্ষতিও কিন্তু কম নয়। আমরা একবারও ভাবি না, ক্রমাগত  অগ্নিকাণ্ডের ফলে  দেশের বিভিন্ন শিল্প খাতে ভয়াবহ অর্থনৈতিক ক্ষতি হচ্ছে। বিশেষত পোশাকশিল্পে আগুনের কারণে যে ক্ষয়ক্ষতি হয়, সেজন্য বিদেশীরা এই খাতে বিনিয়োগে নিরুৎসাহিত হবে স্বাভাবিক। আর এভাবে ক্রমশঃ শিল্পের বাজার ছোট হয়ে আসবে। বেড়ে যাবে বেকারত্বের হার; আর সেইসাথে বৃদ্ধি পাবে অপরাধকর্ম। এভাবে অর্থনৈতিকভাবে দেশ ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তাই এখনো সময় আছে সুচিন্তিত পদক্ষেপ নেবার।

আমাদের ভাবতে হবে, এই অবস্থা থেকে উত্তরণের উপায়ই আসলে কী? আর অবশ্যই সরকারি কঠোর আইন প্রয়োগের পাশাপাশি নাগরিক হিসেবে আমাদের সচেতন হতে হবে। তাছাড়া এই ধরনের দুর্ঘটনার পুনরাবৃত্তি যাতে না হয় সেজন্য সিটি করপোরেশনকে আরও কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে হবে। ‘আবাসিক এলাকায় আর একটিও কারখানা নয়’– এই সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার সময় অনেক আগেই হয়েছিলো। এখন এর বাস্তবায়ন করতে হবে।

প্রকাশিত পত্রিকা-  দেশবার্তা, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯

নিমতলী থেকে চকবাজার : আমাদের বোধোদয় কবে হবে?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to top